ভোলার ভেলুমিয়ায় পুলিশকে রক্ষা করতে গিয়ে গ্রাম পুলিশ আহত

0
132

 

স্টাফ রিপোটারঃ আজকের দেশবানী।

ভোলার বিছিন্ন এলাকা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নে চটকিমারা চর, যেখানে বসবাস করেন কয়েক হাজার পরিবার। যারা জীবন জীবিকার তাকিদে এই বিছিন্ন এলাকায় বসবাস করেন। যেখানে নেই স্বাস্থ্যসেবা ভালো শিক্ষা প্রতিষ্টান নৌকা ছাড়া নেই যোগাযোগের কোন মাধ্যম ভোলার গণমানুষের নেতা জীবন্ত কিংবদন্তি সাবেক সফল শিল্প – বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি মহোদয় আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর জীবন যাত্রার উন্নত যোগাযোগ মাধ্যম বিদ্যুৎ এবং শিক্ষা প্রতিষ্টান দিয়ে যখনি তিনি চরের মানুষদের উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন ঠিক সেই সময়ই কিছু ভূমি দস্যু, দালাল মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেন যাদের কাছে নীয়মিত হয়রানী চটকিমারার চরের সাধারন মানুষ, বিভিন্ন নামে বেনামে জমির কার্ড নিয়ে গরীব চাষীদের কাছ থেকে বাৎসরিক মোটা অংকের টাকা নিয়ে আসেন একটি গ্রুপ।
তাদের মধ্যেই একজন হলেন ভোলা শহরের পোদ্দার পোল সংলগ্ন অহিদ মিয়া।
অহিদ মিয়ার জমিতে বরিশালের শ্রীপুর এর লোকেরা মাটি কাটে সেই মাটিকাটা বন্ধ করতে অহিদ মিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ ও ভেদুরিয়ার গ্রাম পুলিশ বারেক ও ছগির এবং ভেলুমিয়া চন্দ্রপ্রসাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুয়েল মাষ্টার।
ঘটনাটি ঘটে গত ২ ডিসেম্বর ২১ ভোলার চটকিমারার চরে।
মাটিকাটা বন্ধ করতে গেলে শ্রীপুরের লোকেরা হামলার চেষ্টা করেন ভেলুমিয়া ফাঁড়ির এসআই জশিম ও তার সর্গীয় ফোর্স এর উপর।
ওই হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হোন ছগির চকিদার।

 

সেই দিনে এমন কি ঘটেছিল তা জানতে চাইলে ছগির চৌকিদার কান্না জরিত কন্ঠে বলেন, আমি চর চটকিমারার চরে যাইতে চাইনি সেই দিন পুলিশ ও অহিদ আমাকে ফোন দিয়ে তাদের সাথে চরে যাইতে বলছে তাই সেই দিন সেখানে যাই। তার জমি থেকে শ্রী পুরের লোকজন বেকু দিয়ে মাঠি কাটতেছে তার জমি উদ্ধার করতে গিয়ে বেকু সরাতে বললে তারা বেকু সরিয়ে নিয়ে যায়। এবং তার কিছুক্ষন পরেই দেখলাম ১শ মত রান দা বগি দা নিয়ে আমাদের সাথে থাকা ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জসিম ওএএসআই মোশারেফ সহ আমি ছগির, বারেক চৌকিদার কে দৌড়াইতেছে আমরা কোথায় যাব চারদিকে নদী পালানোর কোন জায়গা নেই তাই পালাতে পারি নাই। আমাদের দৌড় দেখে অহিদ আমাদের রেখে চলে আসলে শ্রী পুরের লোকজন আমদের দা দিয়ে সিভিলে থাকা এএসআই মোশারেফ স্যারকে কুপ মারা ধরছে তা দেখে তাদেরকে বলি এইগা আমাকে দারোগা স্যার স্যারের মাইরেন না এই কথা বলার সাথে সাঁথে আমাকে ইট দিয়ে মেরে আমার মুখ থেতলিয়ে দিয়ে আমাকে লাঠি দিয়ে মেরে নদীতে ফেলে দেয় তার পর আমার রক্ত পরার দৃশ্য দেখে আমি নিজেই রক্ত কিছু খাই আর গামছা দিয়ে চেপে দরে রাখি তার পর ও রক্ত বন্ধ হয় নাই। আমি অহিদ ও পুলিশ কে ডাকি তারা কেউ ই সেই দিন আমাকে বাচাতে আসেনী।
পরে আমাকে তারা মেরে যাওযার পর আমার হুশ হলে আমি নদীর কানি দিয়ে আস্তে আস্তে তীরে এসে আমি বলি স্যার আমাকে বাচান এই কথা শুনে আমাকে একজন এসে অটোতে করে তুলে এনে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ভর্তি করার পর আমাকে দেখতে হাসপাতালে জুয়েল স্যার আসে আর এই পর্যান্ত কোন খবর পুলিশের কেউ খবর রাখেনি। তাদের কে বাচাতে গিয়ে ই তো আমার এই অবস্থা প্রশাসন ও কোন এ্যাকশন নেই তাদের বিরুদ্ধে।

ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল মাস্টার বলেন আমি খবর শুনেছি এবং আমার চৌকিদার চরে গিয়ে আহত হয়েছেন তাকে আমি দেখতে গিযেছি।

এবিষয়ে ভেলুমিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মইনুল হোসেন বলেন, এই বিষয় কোন অভিযোগ করে নাই কেউ। পুলিশের উপর হামলা হয়েছে এটা কতটুক সত্য? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ভাই এসব বিষয় উত্তর দিতে পারবো না। এটা আমাদের নিজস্ব বিষয় তো। আপনি তো আমার কাছ থেকে সাক্ষাৎকার নিয়ে পত্রিকায় ছাপিয়ে দিবেন এটা তো আমার জন্য সমোচিন না। এ বিষয় আমার কোন বক্তব্য নাই।

এবিষয় ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)এনায়েত হোসেন বলেন, এবিষয় আমাকে কেউ জানাই নাই। তবে ঘটনাটি সত্য হলে বিষয়টা খুব দুঃখজনক। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

Print Friendly, PDF & Email