উখিয়ার সোনাইছড়িতে পুলিশের উপস্থিতিতে শিবিরের নাইন স্টার গ্রুপের সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ১,আহত-৪

0
237

 

দেলোয়ার হোছাইন, মহেশখালী। আজকের দেশবানী।

উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সােনাইছড়ি গ্রামে জালিয়া পালং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নান্নুর বাড়ীতে রাম দা, কিরিচ ও লাটিসােটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে এলাকার বহুল আলােচিত শিবিরের নাইন স্টার গ্রুপের সন্ত্রাসীরা । এ ঘটনায় নুর নাহার(৫৫) নামে ১ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছে বলে জানান স্হানীয়রা । জানাগেছে , গত ৩০ মার্চ সােনাইছড়ি মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুল আবছার নান্নুর সাথে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সােনাইছড়ি গ্রামের শিবিবের একটি পরিচিত গ্রুপ, নাইন স্টার গ্রুপের কর্মীদের সংঘর্ষ হয় । এ ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয় । এ ঘটনায় উখিয়া থানায় এজাহার দায়ের করে উভয় পক্ষ । অজ্ঞাত কারনে নান্নুর মামলাটি রেকর্ড করা হয়নি । রেকর্ড করা হয় নাইন স্টার গ্রুপের মামলাটি । এদিকে মামলা রেকর্ড না হলেও শুক্রবার স্থানীয় জনগন লক্ষ্য করলাে একটি ভিন্ন চিত্র । মামলা করার পর উল্টো আসামীদের বাড়িতেই হামলা করলাে নাইন স্টার গ্রুপের সন্ত্রাসীরা । এই দিন বিকাল ৫ টার দিকে সন্ত্রাসীরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আবছার নান্নুর বাড়িতে ধারালাে রাম দা , কিরিচ ও লাটিসােটা নিয়ে হামলা চালায় । সাইফুদ্দিন ও শাহীন সরওয়ারের নেতৃত্বে ২০ / ৩০ জনের সন্ত্রাসী দল নান্নু , নান্নুর ভাইকে খুঁজতে ঘরের ভেতর গিয়ে ভাংচুর চালায় এবং মারধর করে নানুর বড়ভাই আহামদ শরীফ ( ৩০ ) কে ধরে নিয়ে যায় । এসময় বাধা দিতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের লাটির আঘাতে গুরুতর আহত হন নান্নুর পিতা আলী হােসেন ও মা নুর নাহার । এলাকাবাসী নান্নুর মা নুর নাহার ( ৫০ ) কে অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘােষনা করে । পরে সন্ত্রাসীরা নানুর ভাই আহামদ শরীফকে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির হাতে সােপর্দ করে । এ ঘটনার পর দ্বিতীয় দফায় আবারাে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা । এক ঘন্টা পর সন্ধ্যা ৬ টার দিকে চালানাে এ হামলায় আহত হয় ৩ জন । এবার সন্ত্রাসীরা নান্নুর সহযােগি বলে হামলা চালায় বাবার কবর জেয়ারত করে ফেরার পথে স্থানীয় সােনাইছড়ি গ্রামের মৃত বজল আহামদের ৩ সন্তানের উপর ।
সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত সানা উল্লাহ জানান ,ছাত্র শিবিরের চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক পরিচিত ছাত্র শিবিরের নাইন স্টার গ্রুপের অধিকাংশ কর্মী সােনাইছড়ি এলাকার । উক্ত গ্রুপের সাইফুদ্দিন ও শাহীন সরােয়ারের নেতৃত্বে ২০ / ৩০ জনের গ্রুপটি আমাদের কে নান্নুর সহযােগি বলে দা কিরিচ ও লাটিসােটা নিয়ে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে । আমি , আমার দু , ভাই মােহাম্মদ উল্লাহ ( ৩৬ ) ও কক্সবাজার জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হােছাইন ( ৫০ ) কে তারা উপর্যপুরী হামলা চালিয়েছে । আমার দু , ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এর মধ্যে মােহাম্মদ উল্লাহর পায়ের রগ কেটে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা । হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় , মােহাম্মদ উল্লাহর অবস্থা আশংকাজনক । এদিকে বর্বরােচিত এই হামলার ঘটনার ব্যাপার জালিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভােকেট রুহুল আমিন চৌধুরী রাশেল বলেন , নান্নুর বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা দুঃখজনক আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় । পুলিশ বাধা দিলে মৃত্যু ও আহতের ঘটনা এড়ানাে যেত । ছাত্র শিবিরের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিত ভাবে ৪ টার দিকে ইনানী ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সিদ্ধার্থ সাহা কে আসামী বাড়িতে আছে বলে খবর দিয়ে নান্নুর বাড়ি ঘিরে ফেলে, তখন নান্নুর বাবা ও তার ভাই আহমেদ শরিফ শিবির কেডারদের ভয়ে বাড়ি থেকে ভের হয়নি,তারা মনে করেছিল পুলিশ আসলে হয়ত আর ঘটনা হবে না,প্রয়োজনে পুলিশ আসামী হিসাবে ছেলে আহমেদ শরিফ কে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবে এই আস্বস্ত নিয়ে ঘর থেকে ভের হয়নি তারা , এস আই সিদ্ধার্থ সাহা ঘটনা স্হলে পৌঁছলে শিবির সন্ত্রাসীরা নান্নুর বাড়িতে ডুকে ভাংচুর চালায় ও নান্নুর ভাই আহমেদ শরিফ কে ধরে এস আই সিদ্ধার্থ সাহার হাতে সোপার্দ কর,এস আই সিদ্ধার্থ সাহা পিতা-মাতার সামনে আহমেদ শরিফ কে প্রচুর মারধর করে,পরে নান্নুর মা ছেলেকে মারতে দেখে সুর চিৎকার দিয়ে বল্লেন,আমরা পুলিশ আসার ভরসা নিয়ে বাড়ি থেকে কোথাও পালিয়ে যায়নি,এখন আমরা মা-বার সামনে আমার ছেলেকে কেন নির্যাতন করা হচেছ বলে হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায় মা নুর নাহার ,নান্নুর মা মাটিতে পড়ে গেলে এস আই সিদ্ধার্থ সাহা দ্রুত আহমেদ শরিফ কে নিয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করে চলে যায় ,পরে সন্ত্রাসীরা সাহস ফেয়ে দ্বিতীয় দফায় হামলা শুরু করে তাতে গুরুতর আহত হয় নান্নুর পিতা আলী হোসেন, মা নুর নাহার বেগম(৫৫)সহ অনান্যরা। স্হানীয়রা নুর নাহার কে হাসপালে নিয়ে গেকে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে স্হানীয়রা দোষীদের শাস্তি দাবী করে । এস আই সিদ্ধার্থ সাহার এই রখম নেক্কার জনক ঘটনা নতুন নয়,কয়েক মাস আগে নিউজ কক্সবাজার এর স্পেশাল করেসপনডেন্ট ও কক্স টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল করিম কে বিনা কারনে দুপুর ১ টার দিকে স্হানীয় চায়ের দোকান থেকে ডেকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ ইনানী ফাঁড়িতে আটকে রেখে টর্চার করে এস আই সিদ্ধার্থ সাহা, আটকে রাখার খবর শুনে হ্নদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছে আব্দুল করিমের মা আছিয়া খাতুন (৫০) মা মারা যাওয়ার খবর শুনে কাগজে মুছলেকা নিয়ে তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয় রিপোর্টার আব্দুল করিম কে,এই ঘটনার একমাস পরে রেজুরকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শেরা মেধাবী ছাত্র শাহ আমিন (১৪) কে মিথ্যা ঘটনায় চোর সন্দেহে জেলে পাঠান এস আই সিদ্ধার্থ সাহা, যার কারনে পিএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি মেধাবী ছাত্র টি,শিশু মেধাবী ছাত্রটির ভবিষ্যত জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। এর কয়েক দিন পরে মোহাম্মদ শফির বিলের আলম মার্কেটের মোহাম্মদ আলমের স্ত্রী, পুত্র বদৌ ও ছোট মেয়েকে, তাদের পারিবারি জমিজমার ঘটনায় অন্য পক্ষের পক্ষ্য নিয়ে শারীরিক ভাবে প্রচুর মারধর করে এস আই সিদ্ধার্থ সাহা, পরে এই ঘটনা স্হানীয়

Print Friendly, PDF & Email