কুড়িগ্রামে গমের বাম্পার ফলন

0
203

সোহানুর রহমান সোহানুর,বিশেষ (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রাম জেলার
উলিপুর এ এবছর গমের বাম্পার ফলন হয়েছে। ন্যায্য দাম পেলে লাভবান হবে কৃষক। বর্তমান যে বাজার দরে গম বিক্রি হচ্ছে তাতে লাভের কোন আশাই দেখছেন না কৃষক। যার ফলশ্রুতিতে হতাশ হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক গম চাষীরা।

উলিপুর উপজেলা কৃষি অফিস এর বরাত দিয়ে জানা যায়, এ বছর গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯০০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু গমের আবাদ হয়েছে প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে।
ইতিমধ্যে গমকাটা ও মাড়াইয়ের কাজ চলছে, ঘরে উঠতে শুরু করেছে নতুন গম। এ বছর প্রতি বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ মণ করে গম হয়েছে বলে জানা যায়।গমের ফলন বেশী হওয়ায় গম চাষীদের চোখে মুখে বিজয়ের হাসি ফুটে উঠেছে। তবে ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকের উৎপাদিত গম তাদের নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক চাষীরা।

সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের দাগারকুটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কৃষি অফিস থেকে উন্নত বীজ ও সার পেয়েছে। এ বছর ফসলে পোকামাকড়ের উপদ্রুবও অনেক কম ছিল তাই ভাল ফলন হয়েছে। ন্যায্য মূল্যে গম বিক্রি করতে পারলে কৃষকরা গম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

এছাড়াও উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের কাগল ডাঙ্গা এলাকার গম অনেক নতুন গম চাষী বলেন, এই প্রথম গম আবাদ করেছি, ফলন ভাল হয়েছে।ন্যায্য মূল্য পেলে গম চাষে আমি ভবিষ্যৎ এ আরো বেশি পরিমাণ জমিতে গম চাষ করবো।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, মাঠে সুষ্ঠ তদারকি ও কৃষকদের ভাল গম উৎপাদনে পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। গম চাষ বৃদ্ধির জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। এবং কৃষকদেরকে প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গমের ভাল ফলন হয়েছে। এ বছর ২হাজার ৪ শ’ ৮৫ মেট্রিক টন গম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email